সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট

Homeবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভারতে এআই চশমার বিক্রি বাড়ছে, কিন্তু গোপনে ভিডিও করলে কী বলছে আইন?

ভারতে এআই চশমার বিক্রি বাড়ছে, কিন্তু গোপনে ভিডিও করলে কী বলছে আইন?

মেটার স্মার্ট চশমা দেখতে অনেকটাই সাধারণ রোদচশমার মতো। কিন্তু এর ফ্রেমের মধ্যেই রয়েছে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন এবং স্পিকার। ফলে ব্যবহারকারীকে আলাদা করে হাতে ফোন ধরতে হয় না।

এনবি সংবাদ, আইটি ডেস্ক : একসময় চশমার প্রধান কাজ ছিল চোখের দৃষ্টি ঠিক রাখা কিংবা রোদ থেকে চোখকে সুরক্ষা দেওয়া। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সেই চেনা চশমাই এখন হয়ে উঠেছে ছোট্ট একটি স্মার্ট ডিভাইস। ছবি তোলা, ভিডিও রেকর্ড করা, গান শোনা, ফোনে কথা বলা এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার মতো কাজও এখন স্মার্ট চশমার মাধ্যমে করা সম্ভব।

এই প্রযুক্তির নতুন প্রজন্মের অন্যতম আলোচিত উদাহরণ মেটার এআই চশমা। রে-ব্যানের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি এই স্মার্ট গ্লাস ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশের বাজারে নজর কেড়েছে। ভারতেও এর চাহিদা বাড়ছে বলে বিভিন্ন বাজার ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা থেকে জানা যাচ্ছে।

তবে সুবিধার পাশাপাশি এই প্রযুক্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে গুরুতর কিছু প্রশ্ন। বিশেষ করে, কারও অজান্তে ছবি বা ভিডিও রেকর্ড করা হলে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কতটা সুরক্ষিত থাকবে? সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে ভুক্তভোগীর কী করার থাকবে? আর এমন ঘটনায় ভারতীয় আইনে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব?

মেটার স্মার্ট চশমা দেখতে অনেকটাই সাধারণ রোদচশমার মতো। কিন্তু এর ফ্রেমের মধ্যেই রয়েছে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন এবং স্পিকার। ফলে ব্যবহারকারীকে আলাদা করে হাতে ফোন ধরতে হয় না।

ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে ছবি তোলা, ভিডিও রেকর্ড করা, গান চালানো কিংবা ফোন কল গ্রহণ করা যায়। কিছু ক্ষেত্রে এআইয়ের সঙ্গে কথোপকথন করে তথ্য বা পরামর্শও নেওয়া সম্ভব।

চশমার ক্যামেরার সাহায্যে উচ্চমানের ছবি ও ভিডিও ধারণ করা যায়। একাধিক মাইক্রোফোন ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর শনাক্ত করতে সাহায্য করে। ওপেন-ইয়ার স্পিকারের মাধ্যমে গান শোনা বা ফোনে কথা বলাও সম্ভব।

এই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ‘হ্যান্ডস-ফ্রি’ ব্যবহার। অর্থাৎ ফোন হাতে না নিয়েই মুহূর্তের মধ্যে ছবি বা ভিডিও ধারণ করা যায়। কিন্তু যে সুবিধা ব্যবহারকারীর জন্য আকর্ষণীয়, সেটিই অন্য মানুষের গোপনীয়তার ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

স্মার্টফোন দিয়ে কেউ ছবি তুললে সাধারণত আশপাশের মানুষ বুঝতে পারেন যে ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু স্মার্ট গ্লাসের ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেক বেশি অস্পষ্ট।

কারণ চশমাটি দেখতে সাধারণ চশমার মতো। ক্যামেরা কোথায় রয়েছে, তা অনেক সময় দূর থেকে বোঝাও কঠিন। মেটার বক্তব্য অনুযায়ী, ছবি বা ভিডিও রেকর্ড করার সময় চশমায় একটি এলইডি আলো জ্বলে। তবে সমালোচকদের দাবি, দিনের আলোয় সেই আলো সবসময় সহজে চোখে পড়ে না।

এই জায়গাতেই সম্মতি ছাড়া রেকর্ডিং নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এই বিতর্ক আরও সামনে আসে কলকাতার এক কলেজ শিক্ষিকার অভিযোগ ঘিরে। বিবিসির প্রতিবেদনে ওই নারীকে ‘বিদিশা’ নামে পরিচয় করানো হয়েছে।

তার অভিযোগ অনুযায়ী, ১১ জুন সন্ধ্যায় কলকাতার একটি কম আলোযুক্ত রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় এক ব্যক্তি তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। প্রথমে ওই ব্যক্তি তার প্রশংসা করেন এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে জানতে চান। তিনি আগ্রহ না দেখালেও ওই ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করতে থাকেন।

বিদিশার বক্তব্য অনুযায়ী, লোকটির হাতে এমন কোনো ক্যামেরা বা যন্ত্র তিনি দেখতে পাননি, যাতে বোঝা যায় যে তার ভিডিও রেকর্ড করা হচ্ছে।

পরের দিন এক শিক্ষার্থী তাকে জানান, আগের রাতের ঘটনাটির একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। পরে বিদিশা জানতে পারেন, তাকে না জানিয়েই ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছিল।

তার অভিযোগ আরও গুরুতর হয় যখন তিনি দেখতে পান, ভিডিওটি এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়েছে যাতে ঘটনাটির প্রকৃত পরিস্থিতি ভিন্ন বলে মনে হতে পারে। ভিডিওর মন্তব্যের জায়গায় তার চেহারা ও শারীরিক গঠন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যও করা হয়।

পরে বন্ধুদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি একটি স্মার্ট গ্লাস ব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান বিদিশা। তার অভিযোগের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, এফআইআর দায়েরের কয়েক দিন পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। প্রথমে পুলিশ হেফাজত এবং পরে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হলেও পরবর্তীতে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

এই ঘটনাকে ঘিরে সম্মতি ছাড়া ভিডিও ধারণ, অনুসরণ করা এবং অনলাইন হয়রানির মতো বিষয়গুলো নতুন করে আলোচনায় আসে।

এ ধরনের অভিযোগ শুধু কলকাতাতেই সীমাবদ্ধ নয়। দিল্লির যন্তর মন্তরে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ২৯ বছর বয়সী এক ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে ‘স্কাই’ নামে পরিচিত ওই ব্যক্তির দাবি, এপ্রিলে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় তার অজান্তে ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এই ধরনের ঘটনা দেখিয়ে বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলছেন, প্রযুক্তি যত দ্রুত এগোচ্ছে, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার নিয়ম ও বাস্তব প্রয়োগ কি সেই গতিতে এগোচ্ছে?

ভারতের বাজারে মেটার স্মার্ট চশমার একাধিক প্রজন্ম পাওয়া যাচ্ছে বলে বিভিন্ন অনলাইন বিক্রেতা ও বাজার-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রজন্মের মডেলের দাম প্রায় ৩৯,৯০০ টাকা থেকে শুরু হতে পারে। ফ্রেমের ধরন ও কনফিগারেশনের ওপর নির্ভর করে দাম প্রায় ৪৫,৭০০ টাকা পর্যন্ত যেতে পারে। অন্যদিকে আগের প্রজন্মের মডেল বিভিন্ন ছাড়ে প্রায় ২২,০০০ থেকে ২৭,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে ভারতে ঠিক কত জোড়া মেটা স্মার্ট গ্লাস বিক্রি হয়েছে, তার নির্ভরযোগ্য সরকারি বা কোম্পানি-প্রকাশিত সংখ্যা না থাকায় বাজারের মোট চাহিদা নির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করা কঠিন।

কলকাতা, দিল্লি ও মুম্বাইয়ের মতো শহরে এই পণ্যের প্রতি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে বিভিন্ন বাজার পর্যবেক্ষণ ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একটি বড় উদ্বেগ হলো, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কাউকে না জানিয়ে খুব সহজে ছবি বা ভিডিও ধারণ করা সম্ভব হতে পারে।

কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত মুহূর্ত রেকর্ড করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হলে তার সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে সেটি সম্পূর্ণভাবে ইন্টারনেট থেকে সরিয়ে ফেলা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে।

আরও একটি সমস্যা হলো, স্মার্ট চশমার ক্যামেরায় ধারণ করা তথ্য কোথায় সংরক্ষিত হচ্ছে এবং কোন কোন পরিষেবার মাধ্যমে তা প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছে—সেটি সাধারণ ব্যবহারকারীর কাছে সবসময় পরিষ্কার নাও হতে পারে।

তবে এসব বিষয়ে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের বক্তব্য ও অভিযোগকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক অবস্থান থেকে আলাদা করে দেখা জরুরি।

মেটার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গোপনীয়তার বিষয়টি স্মার্ট গ্লাস তৈরির সময় থেকেই বিবেচনায় রাখা হয়েছে। কোম্পানির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিটি চশমায় একটি রেকর্ডিং এলইডি রয়েছে। ছবি বা ভিডিও ধারণের সময় সেই আলো জ্বলে ওঠে।

মেটার দাবি, এই আলো নিষ্ক্রিয় করার কোনো স্বাভাবিক ব্যবস্থা নেই। কেউ যদি আলোটি ঢেকে দেন বা নষ্ট করার চেষ্টা করেন, তাহলে ক্যামেরা কাজ বন্ধ করে দেয়।

অর্থাৎ কোম্পানির বক্তব্য অনুযায়ী, চশমা দিয়ে রেকর্ডিং করা হচ্ছে কি না, তা বোঝানোর জন্য একটি দৃশ্যমান সংকেত রাখা হয়েছে।

ইনস্টাগ্রামের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, এমন কোনো ভিডিও যদি মানুষের হয়রানি বা অপমানের জন্য ব্যবহার করা হয়, তাহলে সেটি প্ল্যাটফর্মের নিয়ম ভঙ্গ করতে পারে এবং ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

মেটা আরও জানিয়েছে, তাদের নীতিমালা লঙ্ঘনকারী বহু ভিডিও ও পোস্ট সরানো হয়েছে। এ ধরনের হয়রানিমূলক কনটেন্টের সঙ্গে যুক্ত কিছু অনুসন্ধান শব্দ ও হ্যাশট্যাগের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কোম্পানির দাবি।

এই জায়গাটিই সবচেয়ে জটিল। প্রযুক্তি আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতে সম্মতি ছাড়া জনসমক্ষে কারও ছবি বা ভিডিও ধারণের প্রতিটি পরিস্থিতির জন্য একটি মাত্র নির্দিষ্ট আইন প্রয়োগ করা যায়—এমন সরল কাঠামো নেই।

ঘটনার ধরন, কোথায় ভিডিও করা হয়েছে, কীভাবে সেটি ব্যবহার করা হয়েছে এবং ভিডিওতে ব্যক্তির কোন ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য বা মুহূর্ত ধরা পড়েছে—এসবের ওপর আইনি ব্যবস্থা নির্ভর করতে পারে।

কোনও ঘটনায় স্টকিং, হয়রানি, মানহানি, গোপনীয়তা লঙ্ঘন বা হুমকির মতো অভিযোগ প্রাসঙ্গিক হতে পারে। আবার কোনও ব্যক্তির ব্যক্তিগত মুহূর্ত ধারণ বা তা অনলাইনে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী ভিন্ন আইনি বিধানও সামনে আসতে পারে।

তাই শুধু ‘স্মার্ট গ্লাস দিয়ে ভিডিও করা হয়েছে’—এই একটি তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিটি ঘটনায় একই ধরনের আইনি ব্যবস্থা হবে, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

ভিডিও একবার সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমস্যা আরও জটিল হয়ে যায়। মূল পোস্ট সরানো গেলেও অন্য ব্যবহারকারীরা সেটি ডাউনলোড করে পুনরায় আপলোড করতে পারেন।

বিদিশার ঘটনা নিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার ভিডিও দীর্ঘ সময় অনলাইনে ছিল এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ সেটি দেখেছিলেন। বন্ধুদের পক্ষ থেকে প্ল্যাটফর্মে অভিযোগ জানানো হলেও ভিডিওটি দ্রুত সরানো হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশের হস্তক্ষেপের পর ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখানেই প্রশ্ন উঠছে, গোপনীয়তা লঙ্ঘনের মতো ঘটনাকে দ্রুত শনাক্ত করার জন্য সামাজিক মাধ্যমগুলোর আরও নির্দিষ্ট অভিযোগ ব্যবস্থা প্রয়োজন কি না।

এআই চশমা নিঃসন্দেহে দৈনন্দিন জীবনে নতুন ধরনের সুবিধা আনতে পারে। হাঁটতে হাঁটতে ছবি তোলা, ফোন না ধরেই কল করা কিংবা ভয়েস কমান্ডে তথ্য পাওয়া—সবই প্রযুক্তির ব্যবহারকে সহজ করে।

কিন্তু একই সঙ্গে এমন প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়।

কারও অজান্তে ছবি বা ভিডিও ধারণ করা, সেটি সম্পাদনা করে বিভ্রান্তিকরভাবে প্রকাশ করা কিংবা অনুমতি ছাড়া সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

তাই স্মার্ট গ্লাসের বাজার যত বড় হচ্ছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে গোপনীয়তা, সম্মতি, ডেটা সুরক্ষা এবং অনলাইন হয়রানি নিয়ে স্পষ্ট নিয়ম ও কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তাও সামনে আসছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রযুক্তি ব্যবহার করার আগে শুধু ‘কী করা যায়’ তা নয়, ‘কী করা উচিত’—সেটিও বিবেচনা করা। কারণ একটি ছোট ক্যামেরা কখনও কখনও অন্য একজন মানুষের জীবনে অনেক বড় সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ