অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর ভিডিও ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ইশরাক হোসেন। সোমবার ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তাঁর দাবি, তিনি নিজেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, অস্ত্র হাতে অভিযানের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীই তাঁকে পদত্যাগ করতে বলেছেন। ফলে ইশরাকের পদত্যাগের পেছনে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত, নাকি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ—এই প্রশ্ন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ খবর বিবিসি বাংলা অনলাইনের।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন দাবি করেন, মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে তিনি কোনো ভুল করেননি। তবে তাঁর কর্মকাণ্ডে কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে না থাকলেও নিজের নির্বাচনী এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন।
গত শনিবার ইশরাক হোসেন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। সেখানে তাঁকে অস্ত্র হাতে নিয়ে অবৈধ মাদক ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
একজন প্রতিমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে অস্ত্র হাতে নিয়ে এভাবে অভিযান পরিচালনা করতে পারেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে। জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে অভিযান চালানোর বৈধতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
এই পরিস্থিতিতে রোববার বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে প্রথম দিকে ইশরাক সেই খবরকে অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া বিবৃতিতেও তিনি পদত্যাগের নির্দেশসংক্রান্ত খবর অস্বীকার করেন।
কিন্তু সোমবার সকালেই তিনি সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। ফলে আগের রাতের খবর অস্বীকার করার পরদিনই কেন তিনি পদ ছাড়লেন, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে।
সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে তিনি নিজেই অব্যাহতি চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সেই ইচ্ছায় সম্মতি দিয়েছেন।
পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে গিয়ে যদি কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ইচ্ছা জানান, তাহলে সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক নির্দেশ আসতেই পারে।
ইশরাকের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তাঁর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।
তাঁর ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রধান। ফলে কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক নির্দেশ আসা স্বাভাবিক। তবে এই ব্যাখ্যা সত্ত্বেও পদত্যাগের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ তাঁর নিজের ছিল, নাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার সময় তাঁকে পদ ছাড়ার কথা বলা হয়েছিল, তা নিয়ে বিতর্ক পুরোপুরি থামেনি।
ইশরাক আরও দাবি করেন, পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত সোমবার সকালেই এসেছে। তাঁর মতে, আগের রাতের খবর এবং পরদিনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মধ্যে গণমাধ্যমের উপস্থাপনার কারণে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের অভিযানের পক্ষে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, জমি দখল বা চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যে তিনি কোথাও যাননি। তাঁর দাবি, এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধ করতেই তিনি অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।
ইশরাকের বক্তব্য অনুযায়ী, রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর ও মুন্সিরটেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেন।
তিনি দাবি করেন, ওই এলাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যেও মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে অর্থ ও অস্ত্র থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রকাশ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পান বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযানে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই বিএনপি নেতা। তাঁর দাবি, পুলিশকে অবহিত করেই তিনি এলাকায় গিয়েছিলেন। তবে পুলিশ বাহিনীর পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও প্রস্তুতির অভাব রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
ইশরাক বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তিনি নিজের নামে লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র সঙ্গে রেখেছিলেন। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা ওপর থেকে গুলি চালানোর কারণে পুলিশও সেখানে অভিযান পরিচালনায় সমস্যার মুখে পড়ে।
তবে এসব বক্তব্য ইশরাক হোসেনের নিজস্ব দাবি। অভিযানের প্রতিটি পদক্ষেপের আইনগত বৈধতা কিংবা পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য এই বক্তব্যে পাওয়া যায়নি।
অভিযান নিয়ে বিতর্কের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, কাউকে নিজের হাতে শাস্তি দেওয়া তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। তাঁর দাবি, মাদক নির্মূলের লক্ষ্য নিয়ে তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন।
তবে অভিযানের সময় অস্ত্র হাতে তাঁর উপস্থিতির দৃশ্য সামনে আসার পর মূল উদ্দেশ্য আড়ালে পড়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, একটি ছবি ও ভিডিওকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য ছড়ানো হয়েছে।
ইশরাক বলেন, গণমাধ্যমের কাছ থেকে তিনি আরও ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, মাদকবিরোধী অভিযানের উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা না করে অস্ত্র হাতে থাকার বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তবে একজন জনপ্রতিনিধি বা মন্ত্রিসভার সদস্যের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। মাদকবিরোধী উদ্যোগের উদ্দেশ্য যা-ই হোক, প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে অভিযানে অংশগ্রহণের ঘটনায় সেই দায়িত্ব ও আচরণবিধি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘটনাটি একদিনের মধ্যেই নানা নাটকীয় মোড় নেয়। শনিবার অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। রোববার বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের নির্দেশসংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়।
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার বক্তব্য উল্লেখ করা হয়। ওই কর্মকর্তা জানান, রোববার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইশরাক হোসেনকে তলব করেছিলেন এবং তাঁকে পদত্যাগ করতে বলেছিলেন। এ সময় একটি পদত্যাগপত্রের খসড়া তৈরির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
একই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি সত্য বলে জানতেন। তবে এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে।
অন্যদিকে, বিএনপির ভেতরেও ইশরাককে পদে রাখা হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। দলের একটি অংশ তাঁকে দায়িত্বে বহাল রাখার পক্ষে ছিল বলেও কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন।
এরপর সোমবার সকালে ইশরাক নিজেই সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দেন। দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে পৌঁছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনের আগে তাঁর সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত হন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় তিনি ইঙ্গিত দেন, দলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁকে পদত্যাগ করতে হচ্ছে। তাঁর এই বক্তব্য পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও উসকে দেয়।
ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ নিয়ে বিএনপির অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান। বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চান। সরকার ও দলের শৃঙ্খলার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন।
সেলিমা রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, দলের নেতাকর্মীদের তা মেনে চলতে হবে। দলের নিয়মশৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে কারও কাজ করার সুযোগ নেই—এমন বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনা দলের অন্য নেতাকর্মীদের জন্যও একটি বার্তা হতে পারে। ক্ষমতাসীন দলের জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের আচরণ এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থান নিতে চায় কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদের মতে, প্রধানমন্ত্রী যদি নিজের অবস্থানে দৃঢ় থাকেন, তাহলে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়। অন্যথায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে জবাবদিহির অভাব তৈরি হতে পারে।
ইশরাক হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অবরুদ্ধ করে দীর্ঘ আন্দোলনের ঘটনায়ও তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।
এ ছাড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির পেছনে দৌড়ানো, জিয়াউর রহমানের মাজারে উপস্থিত হয়ে ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে স্যালুট দেওয়ার বিষয় নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে নানা আলোচনা ও ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ হয়েছে।
সাম্প্রতিক অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানের ভিডিও সেই বিতর্কের তালিকায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে আগের ঘটনাগুলোর সঙ্গে বর্তমান পদত্যাগের সিদ্ধান্তের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও মাদকবিরোধী অবস্থান থেকে সরে আসছেন না বলে জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনী এলাকায় মাদক নির্মূলের চেষ্টা তিনি অব্যাহত রাখবেন।
তবে এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ভবিষ্যতে তিনি কীভাবে এই উদ্যোগ পরিচালনা করবেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে মাদকবিরোধী কার্যক্রম এগিয়ে নেবেন কি না।
সব মিলিয়ে, ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘটনায় দুটি বিষয় সামনে এসেছে। প্রথমত, মাদকবিরোধী অভিযানে একজন জনপ্রতিনিধির ভূমিকা ও আইনগত সীমা নিয়ে বিতর্ক। দ্বিতীয়ত, সরকার ও দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী কতটা কঠোর অবস্থান নেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা।
ইশরাকের দাবি, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা বলা হয়েছে। ফলে পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেও এর নেপথ্যের সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।



