সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট

Homeবিশেষ প্রতিবেদনবিদ্যুতের মিটার ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জ নিয়ে এত প্রশ্ন কেন? জানুন বিলের...

বিদ্যুতের মিটার ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জ নিয়ে এত প্রশ্ন কেন? জানুন বিলের অতিরিক্ত টাকার হিসাব

ডিমান্ড চার্জ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি দেখা যায়। সহজভাবে বললে, গ্রাহকের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা ধরে রাখতে বিতরণ ব্যবস্থার যে প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত ব্যয় রয়েছে, তার সঙ্গে এই চার্জ সম্পর্কিত।

স্টাফ রিপোর্টার,এনবি সংবাদ : বিদ্যুতের বিল হাতে পাওয়ার পর অনেক গ্রাহকের প্রথম প্রশ্ন হয়—এত টাকা এল কেন? মিটারে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখাচ্ছে, তার হিসাব মিলিয়ে দেখার পরও বিলের অঙ্ক অনেক সময় বেশি মনে হচ্ছে। বিশেষ করে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে টাকা রিচার্জ করার পর প্রত্যাশার তুলনায় কম ব্যালান্স থাকার বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে। এ খবর বিবিসি বাংলা অনলাইনের।

এর পেছনে শুধু বিদ্যুতের ইউনিটের দাম নয়, আরও কয়েকটি চার্জ কাজ করে। ডিমান্ড চার্জ, মিটার ভাড়া, ভ্যাট, বকেয়া বিল এবং বিলম্ব মাশুল—প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এসব অর্থও বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পর এই বিষয়গুলো নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে আলোচনা ও প্রশ্ন আরও বেড়েছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি বা লোডশেডিংয়ের সময় ডিমান্ড চার্জ কেন দিতে হবে, মিটার ব্যবহারের জন্য আলাদা ভাড়া কেন দিতে হবে—এমন প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

একজন আবাসিক গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল মূলত ব্যবহৃত ইউনিটের ওপর নির্ভর করে। নির্দিষ্ট ব্যবহারসীমা অনুযায়ী বিভিন্ন স্ল্যাব রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট স্ল্যাবের হার অনুযায়ী বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারিত হয়।

বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে প্রতি ইউনিটের দামও তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে, ৪০০ ইউনিটের পরবর্তী ব্যবহারে প্রতি ইউনিটের মূল্য ১৫ টাকা ১ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারে পরবর্তী ইউনিটের মূল্য ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা পর্যন্ত হতে পারে। এর সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়।

তবে এখানেই বিদ্যুৎ বিলের হিসাব শেষ নয়। গ্রাহকের অনুমোদিত লোডের ভিত্তিতে ডিমান্ড চার্জ দিতে হয়। মিটার গ্রাহকের নিজস্ব না হলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মিটার ভাড়াও যোগ হয়। আগের কোনো বিল বকেয়া থাকলে সেটিও পরবর্তী বিলে যুক্ত হতে পারে। বিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলও দিতে হয়।

অর্থাৎ একটি বিদ্যুৎ বিলের মোট অঙ্ক তৈরি হয় একাধিক উপাদান মিলিয়ে।

ডিমান্ড চার্জ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি দেখা যায়। সহজভাবে বললে, গ্রাহকের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা ধরে রাখতে বিতরণ ব্যবস্থার যে প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত ব্যয় রয়েছে, তার সঙ্গে এই চার্জ সম্পর্কিত।

ট্রান্সফরমার, বিতরণ লাইন, সংযোগ সক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট লোড সরবরাহের প্রস্তুতি—এসব ব্যবস্থার সঙ্গে ডিমান্ড চার্জের সম্পর্ক রয়েছে।

বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট অনুমোদিত লোডের জন্য ৪২ টাকা হারে ডিমান্ড চার্জের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে কারও অনুমোদিত লোড যদি ২ কিলোওয়াট হয়, তাহলে মাসে ডিমান্ড চার্জ দাঁড়ায় ৮৪ টাকা।

আবার ১০ কিলোওয়াট লোডের ক্ষেত্রে এই চার্জ হয় ৪২০ টাকা।

এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। কোনো বাড়ির প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহার কম হলেও অনুমোদিত লোড বেশি থাকলে ডিমান্ড চার্জ সেই লোডের হিসাবেই নির্ধারিত হয়।

অনেক গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার সময় অনুমোদিত লোডের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে না বুঝেই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি লোড নিয়ে ফেলেন। পরে দেখা যায়, বাস্তবে সেই পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার না করলেও প্রতি মাসে নির্দিষ্ট ডিমান্ড চার্জ দিতে হচ্ছে।

ধরা যাক, কোনো গ্রাহকের অনুমোদিত লোড ১৫ কিলোওয়াট। প্রতি কিলোওয়াট ৪২ টাকা হিসাবে শুধু ডিমান্ড চার্জই দাঁড়ায় ৬৩০ টাকা।

এর সঙ্গে যদি মিটার ভাড়া এবং অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ যুক্ত হয়, তাহলে মাসিক বিলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিদ্যুৎ ব্যবহারের বাইরের খাতে চলে যেতে পারে।

তাই সংযোগ নেওয়ার সময় অনুমোদিত লোড কত রাখা হচ্ছে, সেটি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনের তুলনায় বেশি লোড অনুমোদন করানো হলে ভবিষ্যতে নিয়মিত ডিমান্ড চার্জ বেশি হতে পারে।

বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় প্রিপেইড মিটার চালুর অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বিল আদায়ে স্বচ্ছতা বাড়ানো, বকেয়া কমানো এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা।

প্রিপেইড মিটারে গ্রাহক আগে টাকা জমা দেন। এরপর সেই জমা অর্থ থেকে নির্দিষ্ট নিয়মে বিভিন্ন চার্জ সমন্বয় করা হয় এবং অবশিষ্ট অর্থ দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যায়।

মিটার গ্রাহকের নিজস্ব না হলে মিটার ব্যবহারের জন্য ভাড়া নেওয়া হতে পারে। বিতরণ সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, সিঙ্গেল-ফেজ প্রিপেইড মিটারের মূল্য প্রায় ৬ হাজার টাকা ধরে ১০ বছরের বা ১২০ মাসের মেয়াদে মাসে ৪০ টাকা করে ভাড়া নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

থ্রি-ফেজ মিটারের ক্ষেত্রে মিটারের মূল্য বেশি হওয়ায় মাসিক ভাড়াও বেশি। উল্লেখিত কাঠামো অনুযায়ী এর ভাড়া মাসে ২৫০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মিটার নষ্ট হলে বিতরণ সংস্থার পক্ষ থেকে নতুন মিটার দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের বড় একটি অভিযোগ হলো, তারা ৫০০ টাকা রিচার্জ করার পর মিটারে পুরো ৫০০ টাকা বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য পাওয়া যায় না।

এর কারণ হলো, রিচার্জ করা অর্থ থেকে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ এবং ভ্যাটসহ অন্যান্য নির্ধারিত অর্থ আগে সমন্বয় করা হতে পারে। ফলে গ্রাহকের হাতে থাকা ব্যবহারযোগ্য ব্যালান্সের পরিমাণ কমে যায়।

যে গ্রাহক বিষয়টি আগে থেকে জানেন না, তার কাছে মনে হতে পারে মিটার অস্বাভাবিকভাবে টাকা কেটে নিচ্ছে। বিশেষ করে মাসের শুরুতে একবারে রিচার্জ করার পর বড় অঙ্কের টাকা কেটে গেলে বিভ্রান্তি আরও বাড়ে।

এ কারণেই প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রে কোন খাতে কত টাকা কাটা হচ্ছে, সেটি স্পষ্টভাবে দেখানো এবং গ্রাহককে সহজ ভাষায় বোঝানো গুরুত্বপূর্ণ।

এখানেই গ্রাহকদের সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি।

কোনো বাড়ি কয়েক দিন বা পুরো মাস খালি থাকলেও যদি বিদ্যুৎ সংযোগ সক্রিয় থাকে, তাহলে শুধু ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে সব চার্জ শূন্য হয়ে যায় না। অনুমোদিত লোডের ভিত্তিতে ডিমান্ড চার্জ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মিটার ভাড়া দিতে হতে পারে।

গ্রাহকদের একাংশের যুক্তি হলো, যখন তারা পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না বা নিয়মিত লোডশেডিংয়ের মুখোমুখি হচ্ছেন, তখন নির্ধারিত ডিমান্ড চার্জের যৌক্তিকতা আরও পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা দরকার।

এই প্রশ্নটি শুধু বিলের অঙ্ক নিয়ে নয়; বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং গ্রাহক কোন সেবার জন্য কোন চার্জ দিচ্ছেন, সেটি বোঝার সঙ্গেও সম্পর্কিত।

সরকার ও বিতরণ সংস্থাগুলোর পরিকল্পনার মধ্যে প্রিপেইড মিটারের ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়টি রয়েছে। তাদের যুক্তি, প্রিপেইড ব্যবস্থায় বিল পরিশোধের অনিশ্চয়তা কমে এবং গ্রাহক নিজের ব্যবহার সম্পর্কে তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার ধারণা পান।

কিন্তু বাস্তবে অনেক গ্রাহক এই ব্যবস্থার কিছু দিক নিয়ে আপত্তি করছেন। বিশেষ করে অগ্রিম টাকা দেওয়া, রিচার্জের পর বিভিন্ন চার্জ কেটে নেওয়া এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি থাকা—এই বিষয়গুলো একসঙ্গে অসন্তোষ তৈরি করছে।

নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রিপেইড মিটার নিয়ে সভা, সমাবেশ ও আন্দোলনের ঘটনাও সামনে এসেছে। কিছু গ্রাহক সংগঠন বলছে, বড় পরিসরে প্রিপেইড মিটার চালুর আগে গণশুনানি এবং গ্রাহকদের বিস্তারিতভাবে বোঝানোর প্রয়োজন ছিল।

বিতরণ সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, প্রিপেইড মিটারে পোস্টপেইডের তুলনায় আলাদা কোনো বিদ্যুৎ মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। একই ধরনের নির্ধারিত ট্যারিফ, ভ্যাট ও ডিমান্ড চার্জ প্রযোজ্য থাকে।

তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, গ্রাহক যদি মিটার এককালীন কিনে না নেন, তাহলে মিটার ভাড়া নেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট হারে রিবেট বা ছাড়ও পেতে পারেন।

ডিপিডিসির পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, প্রিপেইড মিটার নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তাদের মতে, এই ব্যবস্থায় লেনদেন ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব আরও স্বচ্ছভাবে দেখা সম্ভব।

ভোক্তা অধিকারকর্মী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের প্রশ্ন মূলত চার্জের স্বচ্ছতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে।

তাদের বক্তব্য, গ্রাহকের কাছ থেকে যে অর্থ নেওয়া হচ্ছে, সেটি কোন খাতে ব্যয় হচ্ছে এবং সেই চার্জ নির্ধারণের ভিত্তি কী—তা পরিষ্কারভাবে জানানো দরকার। বিশেষ করে বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি থাকলে ডিমান্ড চার্জ নিয়ে গ্রাহকের মধ্যে যে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে, তারও ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাধীনভাবে হিসাব পরীক্ষা, অডিট ও যাচাইয়ের ব্যবস্থা থাকলে গ্রাহকদের আস্থা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহের মানও গুরুত্বপূর্ণ।

অর্থাৎ শুধু মিটার বদল করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। গ্রাহককে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ দেওয়ার পাশাপাশি বিলের প্রতিটি খাত সহজ ভাষায় বোঝাতে হবে।

বিদ্যুতের দাম ও বিভিন্ন চার্জ নির্ধারণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, ডিমান্ড চার্জ যাচাই-বাছাই করেই নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সর্বশেষ বিদ্যুতের দাম পরিবর্তনের সময় এই চার্জ বাড়ানো হয়নি।

প্রিপেইড মিটার নিয়েও সরকার গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি পর্যালোচনা করেছে এবং বড় ধরনের সমস্যা পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ জানিয়েছে।

তবে মিটার ভাড়া রাখার বিষয়টি নীতিগত সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিল বেশি এসেছে মানেই পুরো অঙ্কটি শুধু ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম—এমনটি নয়। বিল বিশ্লেষণ করতে হলে ইউনিটের দাম, ডিমান্ড চার্জ, মিটার ভাড়া, ভ্যাট, বকেয়া এবং বিলম্ব মাশুল—প্রতিটি খাত আলাদাভাবে দেখতে হবে।

বিশেষ করে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীদের রিচার্জের পর কোন খাতে কত টাকা কাটা হয়েছে, সেটি জানা জরুরি। একইভাবে পোস্টপেইড গ্রাহকদের বিলেও আলাদা আলাদা চার্জের হিসাব পরীক্ষা করা উচিত।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, গ্রাহকদের অভিযোগ ও প্রশ্নের জবাব স্বচ্ছভাবে দেওয়া। কারণ বিদ্যুতের বিল শুধু একটি মাসিক খরচের হিসাব নয়; এর সঙ্গে একটি পরিবারের দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক পরিকল্পনাও জড়িয়ে থাকে।

মিটার ভাড়া ও ডিমান্ড চার্জ নিয়ে যে প্রশ্নগুলো উঠছে, সেগুলোর গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে হলে চার্জের ভিত্তি, খরচের হিসাব এবং গ্রাহক কী সেবা পাচ্ছেন—এই তিনটি বিষয় পরিষ্কারভাবে সামনে আনতে হবে। এতে একদিকে যেমন ভুল বোঝাবুঝি কমবে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ খাতের প্রতি গ্রাহকদের আস্থাও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ