বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ফের আলোচনায় উঠে এসেছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম। রবিবার, ১৮ অক্টোবর মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় এই হামলার সময় অভিনেতা নিরাপদ থাকলেও তাঁর গাড়ির চালকসহ দুজন আহত হন। ঘটনার পর লরেন্স বিষ্ণোই গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামলার দায় স্বীকারের দাবি সামনে আসে। তবে সেই দাবির সত্যতা এবং হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।
এর আগে বলিউড অভিনেতা সালমান খানের বাড়ির বাইরে গুলিবর্ষণ, প্রযোজক-পরিচালক রোহিত শেট্টির বাড়িতে হামলা এবং রাজনীতিক বাবা সিদ্দিকীর হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনাতেও বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম উঠে এসেছে। এসব ঘটনার মধ্যে কয়েকটির ক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ রয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায় স্বীকার বা হুমকির দাবি প্রকাশিত হয়েছে। ফলে প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে গ্যাংটির সংশ্লিষ্টতা আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি।
কিন্তু কে এই লরেন্স বিষ্ণোই? কীভাবে একটি অপরাধী নেটওয়ার্ক ভারতের বাইরেও আলোচনায় এসেছে? আর সালমান খানসহ বলিউডের একাধিক ব্যক্তিত্বকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাতই বা কোথায়?
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং ভারতের একটি সংগঠিত অপরাধী নেটওয়ার্ক, যার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক পাচার এবং অস্ত্রসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে থাকা লরেন্স বিষ্ণোই বর্তমানে গুজরাতের আহমেদাবাদে সাবরমতী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি। কারাগারে থেকেও তিনি অপরাধী নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছেন বলে বিভিন্ন তদন্তে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের নির্দিষ্ট অংশের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়ার বিষয়।
তদন্তকারী সংস্থাগুলোর বক্তব্য অনুযায়ী, গ্যাংটির কার্যক্রম শুধু ভারতের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন সহযোগী ও আঞ্চলিক অপরাধী গোষ্ঠীর মাধ্যমে উত্তর ভারত, মুম্বাই এবং বিদেশে থাকা কিছু ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও রয়েছে। গোল্ডি ব্রারসহ একাধিক ব্যক্তির নাম এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত অভিযোগপত্রে লরেন্স বিষ্ণোই ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধচক্র পরিচালনার অভিযোগের কথা জানায়। এসব অভিযোগের মধ্যে হত্যা, চাঁদাবাজি এবং অন্যান্য সংগঠিত অপরাধের বিষয় রয়েছে। অভিযোগপত্রে নাম থাকা মানেই আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়।
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে বলিউডের সম্পর্কের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে আসে সালমান খানের নাম। এর পেছনে রয়েছে ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের মামলা।
১৯৯৮ সালে রাজস্থানে একটি চলচ্চিত্রের শুটিংয়ের সময় কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগে সালমান খানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০১৮ সালে এই মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে মামলাটি ঘিরে আইনি প্রক্রিয়া চলেছে।
বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে কৃষ্ণসার হরিণ বিশেষভাবে সম্মানিত ও পবিত্র বলে বিবেচিত। লরেন্স বিষ্ণোই বিভিন্ন সময়ে সালমান খানকে হুমকি দেওয়ার পেছনে এই শিকারের ঘটনাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
২০১৮ সালে লরেন্স বিষ্ণোই প্রকাশ্যে সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন বলে খবর প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে অভিনেতার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ে।
২০২৪ সালের এপ্রিলে মুম্বাইয়ে সালমান খানের বাড়ির বাইরে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। তদন্তে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে আসে এবং কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরও অভিনেতাকে ঘিরে হুমকির ঘটনা তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
তবে সালমান খানকে লক্ষ্য করে প্রতিটি হুমকি বা হামলার ঘটনায় একই ব্যক্তি কিংবা একই অপরাধী নেটওয়ার্ক সরাসরি জড়িত ছিল—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তদন্তের তথ্য বিবেচনা করা জরুরি।
রবিবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীরা। অভিনেতা তখন ফুটবল খেলার পর ফিরছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
গুলিবর্ষণে টাইগার শ্রফ আহত হননি। তবে তাঁর চালক ফিরদৌসের বাঁ হাতে গুলি লাগে। কাছাকাছি থাকা আরও এক ব্যক্তিও আহত হন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের একটি পোস্টে হামলার দায় স্বীকারের দাবি সামনে আসে। ওই পোস্টে সালমান খানের সঙ্গে কাজ করা ব্যক্তিদের উদ্দেশে হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
তবে মুম্বাই পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবির সত্যতা যাচাই করছে। হামলার প্রকৃত পরিকল্পনাকারী, হামলার উদ্দেশ্য এবং গ্যাংটির সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগের বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
বলিউডের সঙ্গে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কথিত যোগাযোগের আলোচনায় পরিচালক রোহিত শেট্টি এবং রাজনীতিক বাবা সিদ্দিকীর নামও গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় রোহিত শেট্টির বাড়ির বাইরে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তদন্তের সময় লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আমোল বিষ্ণোইয়ের নাম সামনে আসে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়। তদন্তকারীদের অভিযোগ ছিল, হামলাকারীদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। তবে এই অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি এবং তদন্তের চূড়ান্ত ফল আলাদা বিষয়।
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে মহারাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রী ও এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকীকে মুম্বাইয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। সালমান খানের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। হত্যাকাণ্ডের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নামে দায় স্বীকারের দাবি প্রকাশিত হয়। মামলায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং গ্যাংটির সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তদন্ত চলে।
এসব ঘটনার কারণে বলিউডের শিল্পী, পরিচালক ও তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। তবে প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে তদন্তকারীদের অভিযোগ, অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং আদালতে প্রমাণিত তথ্য পৃথকভাবে দেখা প্রয়োজন।
বলিউড তারকাদের সঙ্গে যুক্ত হামলার তালিকায় আরও কয়েকটি ঘটনা রয়েছে, যদিও সেগুলোর সবকটিতে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতা প্রতিষ্ঠিত নয়।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে অভিনেত্রী দিশা পাটানির বাবা জগদীশ পাটানির বাড়ির বাইরে উত্তর প্রদেশের বারেলিতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোল্ডি ব্রার ও রোহিত গোদারা গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা হামলার দায় স্বীকার করেছিল বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। ঘটনার সঙ্গে দিশা পাটানির বোন খুশবু পাটানির কথিত মন্তব্যের যোগসূত্রের দাবিও সামনে আসে। তবে এসব দাবিকে তদন্তে যাচাই করা তথ্য থেকে আলাদা করে দেখা জরুরি।
এরও বহু আগে, ২০০০ সালের ২১ জানুয়ারি চলচ্চিত্র নির্মাতা রাকেশ রোশন মুম্বাইয়ে নিজের অফিসের বাইরে গুলিবিদ্ধ হন। তিনি হৃতিক রোশনের বাবা। সে সময় হৃতিকের প্রথম ছবি ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ মুক্তির পর সাফল্য নিয়ে আলোচনা চলছিল।
রাকেশ রোশনের হাত ও বুকে গুলি লাগে, তবে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। চাঁদাবাজির টাকা দিতে অস্বীকার করার কারণে তাঁকে নিশানা করা হয়েছিল বলে সে সময়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ঘটনাটি বিষ্ণোই গ্যাংয়ের উত্থানের বহু আগের; তাই একে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হামলা হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক হবে না।
১৯৯৭ সালে পরিচালক রাজীব রাইও মুম্বাইয়ে হামলার মুখে পড়েছিলেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবু সালেম গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করা কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা চালায়। এই ঘটনাও মুম্বাইয়ের চলচ্চিত্র জগতে অপরাধী গোষ্ঠীর প্রভাবের পুরোনো ইতিহাসের অংশ, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কের প্রমাণ নয়।
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং নিয়ে উদ্বেগ ভারতের বাইরেও ছড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত অভিযোগপত্রে লরেন্স বিষ্ণোই ও তাঁর সহযোগী গোল্ডি ব্রারের বিরুদ্ধে কানাডায় শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনে। নিজ্জরকে ২০২৩ সালের ১৮ জুন ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারেতে একটি গুরুদ্বারার বাইরে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ অনুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে বিষ্ণোই নেটওয়ার্কের সংশ্লিষ্টতা ছিল। তবে এটি আদালতে উত্থাপিত অভিযোগ; চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তে ‘অপারেশন হার্ড বল’ নামে বৃহত্তর উদ্যোগের কথাও সামনে এসেছে। এর আওতায় ভারত-সংশ্লিষ্ট একাধিক অপরাধী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব তদন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধী নেটওয়ার্কের যোগাযোগ, অর্থায়ন ও সহযোগীদের ভূমিকা অনুসন্ধানের অংশ।
সালমান খানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধ, অভিনেতার বাড়ির বাইরে গুলিবর্ষণ, বাবা সিদ্দিকীর হত্যাকাণ্ড এবং রোহিত শেট্টির বাড়িতে হামলার মতো ঘটনা বিষ্ণোই গ্যাংকে বারবার সংবাদ শিরোনামে এনেছে। টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণের পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে হুমকি দেওয়ার পেছনে কী উদ্দেশ্য কাজ করছে।
অপরাধ বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় চাঁদাবাজি, ভয় তৈরি করে প্রভাব বিস্তার এবং গণমাধ্যমের মনোযোগ পাওয়ার মতো বিষয় সংগঠিত অপরাধী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য কৌশল হিসেবে উঠে আসে। তবে টাইগার শ্রফের ঘটনায় ঠিক কী উদ্দেশ্য কাজ করেছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায় স্বীকারের পোস্ট প্রকাশিত হলেই সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী হামলার নির্দেশ দিয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায় না। পোস্টের উৎস, অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং অন্যান্য ফরেনসিক প্রমাণ যাচাই করা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনা মুম্বাইয়ের আইনশৃঙ্খলা ও তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা রাজ্য সরকারের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
তদন্তে এখন মূলত তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্ত করা, গুলিবর্ষণের নেপথ্যে থাকা উদ্দেশ্য খুঁজে বের করা এবং বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে কথিত যোগাযোগের সত্যতা যাচাই করা।
সব মিলিয়ে, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংকে ঘিরে বলিউডে উদ্বেগের পেছনে রয়েছে একাধিক হুমকি, হামলার অভিযোগ এবং চলমান অপরাধ তদন্ত। তবে প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে অভিযোগ ও প্রমাণের পার্থক্য বজায় রাখা জরুরি। টাইগার শ্রফের ঘটনায় তদন্তের ফলই শেষ পর্যন্ত জানাবে, এই হামলার নেপথ্যে কারা ছিল এবং তাদের সঙ্গে বিষ্ণোই গোষ্ঠীর প্রকৃত সম্পর্ক কতটা।



