সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট

Homeসর্বশেষ সংবাদমানুষের পূর্বপুরুষের ইতিহাসে বড় বদল! ২০ লক্ষ বছরের পুরনো খুলির টুকরো ঘিরে...

মানুষের পূর্বপুরুষের ইতিহাসে বড় বদল! ২০ লক্ষ বছরের পুরনো খুলির টুকরো ঘিরে নতুন রহস্য

বিজ্ঞানীদের ধারণা, হোমো ইরেক্টাসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করেছিল। তাদের জীবাশ্ম আফ্রিকার পাশাপাশি এশিয়ার বিভিন্ন স্থানেও পাওয়া গেছে। এই নমুনাগুলি বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা প্রাচীন মানুষের বিস্তার, অভিযোজন এবং বিবর্তনের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।

এনবি সংবাদ, অনলাইন : দক্ষিণ আফ্রিকার একটি প্রাচীন গুহা থেকে উদ্ধার হওয়া মাথার খুলির জীবাশ্ম নতুন করে আলোচনায় এনেছে মানব বিবর্তনের ইতিহাস। প্রায় ২০ লক্ষ বছর পুরনো এই জীবাশ্মটি গবেষকদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেছে। বিজ্ঞানীদের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এটি *হোমো ইরেক্টাস* প্রজাতির কোনও পূর্ণবয়স্ক সদস্যের খুলির অংশ হতে পারে। এই আবিষ্কার সত্যি হলে, প্রাচীন এই মানবপ্রজাতির ইতিহাস সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা আরও বিস্তৃত হতে পারে।

মানুষের উৎপত্তি ও বিবর্তনের ইতিহাস দীর্ঘদিন ধরেই বিজ্ঞানীদের গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে আবিষ্কৃত জীবাশ্ম থেকে তাঁরা জানার চেষ্টা করছেন, কীভাবে প্রাচীন মানবগোষ্ঠীগুলির শারীরিক গঠন বদলেছে, কোন পরিবেশে তারা বসবাস করত এবং কীভাবে সময়ের সঙ্গে নতুন প্রজাতির আবির্ভাব ঘটেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ড্রিমোলেন গুহাঞ্চল থেকে পাওয়া জীবাশ্মের নতুন বিশ্লেষণ সেই গবেষণায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যোগ করেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের কাছাকাছি অবস্থিত ড্রিমোলেন গুহাঞ্চল প্রাচীন মানবপ্রজাতির জীবাশ্ম আবিষ্কারের জন্য পরিচিত। এই অঞ্চলের মাটির নিচে সংরক্ষিত রয়েছে লক্ষ লক্ষ বছর আগের প্রাণিজগতের নানা নিদর্শন। গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরে এখানকার জীবাশ্ম বিশ্লেষণ করে প্রাচীন মানবগোষ্ঠীগুলির জীবনযাপন ও বিবর্তন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছেন।

সম্প্রতি এই অঞ্চলে আগে উদ্ধার হওয়া মোট ১৮টি জীবাশ্ম নতুন করে বিশ্লেষণ করেছেন গবেষকেরা। সেগুলির মধ্যে একটি মাথার খুলির অংশ বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। গবেষকদের অনুমান, জীবাশ্মটির বয়স প্রায় ২০ লক্ষ বছর এবং এটি পূর্ণবয়স্ক *হোমো ইরেক্টাস* প্রজাতির কোনও সদস্যের হতে পারে।

জীবাশ্মটির গুরুত্ব শুধু তার বয়সের কারণে নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রাচীন মানবপ্রজাতির ভৌগোলিক বিস্তার এবং বিবর্তনের সময়কাল সম্পর্কিত প্রশ্নও। অতীতের জীবাশ্মের সঙ্গে নতুন নমুনার তুলনা করে গবেষকেরা বোঝার চেষ্টা করছেন, মানব বিবর্তনের পরিচিত সময়রেখায় কোনও পরিবর্তন আনার প্রয়োজন রয়েছে কি না।

*হোমো ইরেক্টাস* মানব বিবর্তনের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিলুপ্ত মানবপ্রজাতি। এর নামের অর্থ ‘সোজা হয়ে দাঁড়ানো মানুষ’। প্রাচীন মানবপ্রজাতির শারীরিক গঠন, চলাফেরা এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে গবেষণায় এই প্রজাতির জীবাশ্ম বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, হোমো ইরেক্টাসের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করেছিল। তাদের জীবাশ্ম আফ্রিকার পাশাপাশি এশিয়ার বিভিন্ন স্থানেও পাওয়া গেছে। এই নমুনাগুলি বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা প্রাচীন মানুষের বিস্তার, অভিযোজন এবং বিবর্তনের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।

তবে কোনও একটি জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণ করলেই একটি প্রজাতির উৎপত্তির সম্পূর্ণ ইতিহাস জানা যায় না। জীবাশ্মটি কোন ভূস্তর থেকে উদ্ধার হয়েছে, তার আশপাশে অন্য কী ধরনের নিদর্শন রয়েছে এবং নমুনাটির বয়স কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে—এসব বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ড্রিমোলেনের প্রায় ২০ লক্ষ বছরের পুরনো খুলির অংশ তাই গবেষকদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। এটি যদি হোমো ইরেক্টাসের পূর্ণবয়স্ক কোনও সদস্যের হয়ে থাকে, তা হলে দক্ষিণ আফ্রিকায় এই প্রজাতির প্রাচীন উপস্থিতি সম্পর্কে আরও শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া যেতে পারে।

এই আবিষ্কারকে ঘিরে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হল সময়ের হিসাব। প্রাথমিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নতুন জীবাশ্মটি হোমো ইরেক্টাসের পরিচিত ইতিহাসকে প্রায় ২ লক্ষ বছর পিছিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। অর্থাৎ, এই প্রজাতির প্রাচীন উপস্থিতি সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের প্রচলিত ধারণা পুনর্বিবেচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট রাখা জরুরি। কোনও জীবাশ্মের বয়স প্রায় ২০ লক্ষ বছর হওয়া এবং সেই প্রজাতির উৎপত্তি ঠিক ওই সময়েই ঘটেছিল—এই দুটি দাবি এক নয়। জীবাশ্মটি প্রজাতিটির অস্তিত্বের একটি নির্দিষ্ট সময়ের প্রমাণ দিতে পারে, কিন্তু তার উৎপত্তির সুনির্দিষ্ট সময় বা স্থান নির্ধারণের জন্য আরও তথ্য প্রয়োজন।

একইভাবে, একটি নতুন নমুনা আবিষ্কৃত হলেই মানবজাতির সম্পূর্ণ ইতিহাস বদলে যায় না। বরং নতুন তথ্য আগের নমুনা, ভূতাত্ত্বিক প্রমাণ এবং অন্যান্য গবেষণার ফলাফলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হয়। ড্রিমোলেনের আবিষ্কারও সেই বৃহত্তর বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের অংশ।

এর আগে এই গুহাঞ্চল থেকে একটি শিশু হোমো ইরেক্টাসের খুলিও উদ্ধার হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে বিশ্লেষণ করা পূর্ণবয়স্ক সদস্যের সম্ভাব্য জীবাশ্মের সঙ্গে আগের নমুনাগুলির তুলনা করলে প্রজাতিটির শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং ওই অঞ্চলে তাদের উপস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

ড্রিমোলেনের গবেষণায় শুধু হোমো ইরেক্টাস নয়, মানব বিবর্তনের আরেকটি বিলুপ্ত প্রজাতিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নতুন করে বিশ্লেষণ করা ১৮টি জীবাশ্মের মধ্যে ১৪টি *প্যারানথ্রোপাস রোবাস্টাস* প্রজাতির বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্যারানথ্রোপাস রোবাস্টাস ছিল প্রাচীন মানবগোষ্ঠীর বিবর্তনীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। তাদের চোয়াল ও দাঁতের গঠন বিশেষভাবে শক্তিশালী ছিল। এই বৈশিষ্ট্যগুলি তাদের খাদ্যাভ্যাস এবং খাবার চিবিয়ে খাওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে গবেষণার সুযোগ তৈরি করে।

গবেষকেরা জীবাশ্মগুলির দাঁত ও চোয়ালের গঠন বিশ্লেষণ করে মনে করছেন, সময়ের সঙ্গে এই প্রজাতির শারীরিক বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটেছিল। এই পরিবর্তনের পেছনে খাদ্যাভ্যাস, পরিবেশগত পরিস্থিতি কিংবা জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো একাধিক কারণ কাজ করে থাকতে পারে।

প্রাচীন প্রাণীর দাঁত ও চোয়াল দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের উৎস। দাঁতের আকার, পুরুত্ব, ক্ষয়ের ধরন এবং চোয়ালের গঠন থেকে প্রাণীটি কী ধরনের খাবার খেত, সেই খাবার কতটা শক্ত ছিল এবং খাদ্য সংগ্রহের পদ্ধতিতে কোনও পরিবর্তন এসেছিল কি না, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

তবে দাঁত ও চোয়ালের গঠন বদলানোর নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করতে আরও প্রমাণের প্রয়োজন হয়। তাই প্যারানথ্রোপাস রোবাস্টাসের ক্ষেত্রে জলবায়ু ও পরিবেশের প্রভাব একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলেও, একে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা উচিত নয়।

পৃথিবীর জলবায়ু লক্ষ লক্ষ বছর ধরে পরিবর্তিত হয়েছে। কখনও কোনও অঞ্চলে শুষ্ক পরিবেশের বিস্তার ঘটেছে, কখনও আবার উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈচিত্র্যে পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে প্রাচীন প্রাণীদের খাদ্যের প্রাপ্যতা এবং বসবাসের পরিবেশও বদলে গিয়েছে।

এই ধরনের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বহু প্রাণীপ্রজাতির শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও আচরণে বিবর্তন ঘটেছে। প্রাচীন মানবগোষ্ঠীগুলিও তার ব্যতিক্রম ছিল না। তাদের খাদ্য সংগ্রহের কৌশল, চলাফেরা এবং পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনের ইতিহাস বুঝতে জীবাশ্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্যারানথ্রোপাস রোবাস্টাসের দাঁত ও চোয়ালের পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। সময়ের সঙ্গে তাদের খাবার চিবিয়ে খাওয়ার ক্ষমতা বা খাদ্য ব্যবহারের পদ্ধতিতে পরিবর্তন ঘটে থাকতে পারে। তবে এই পরিবর্তন সরাসরি জলবায়ুর কারণে হয়েছিল কি না, তা বুঝতে জীবাশ্মের পাশাপাশি পরিবেশগত তথ্যও বিশ্লেষণ করা জরুরি।

এখানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। হোমো ইরেক্টাস এবং প্যারানথ্রোপাস রোবাস্টাসের মতো প্রাচীন মানবগোষ্ঠীগুলির বিবর্তন একই রকম পথে এগোয়নি। তাদের শারীরিক বৈশিষ্ট্য, খাদ্যাভ্যাস এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কৌশলে পার্থক্য ছিল। একই অঞ্চলের জীবাশ্ম একসঙ্গে বিশ্লেষণ করলে সেই বৈচিত্র্য সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া সম্ভব।

নতুন জীবাশ্ম আবিষ্কারের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, মানুষের পূর্বপুরুষের উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে কি কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব হল? আপাতত উত্তর—না।

দক্ষিণ আফ্রিকার ড্রিমোলেন গুহাঞ্চলে প্রাচীন মানবপ্রজাতির উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেলেও, শুধু এই আবিষ্কারের ভিত্তিতে হোমো ইরেক্টাসের উৎপত্তিস্থল নিশ্চিত করা যায় না। কোনও প্রজাতির উৎপত্তি নির্ধারণ করতে হলে বিভিন্ন অঞ্চলের জীবাশ্ম, তাদের বয়স, শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং বিবর্তনীয় সম্পর্ক একসঙ্গে বিচার করতে হয়।

আফ্রিকা মানব বিবর্তনের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানকার বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক ও জীবাশ্মস্থল থেকে প্রাচীন মানবগোষ্ঠীর বহু নিদর্শন পাওয়া গেছে। কিন্তু মানব বিবর্তন একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া। নতুন আবিষ্কার আগের ধারণাকে সমর্থন করতে পারে, আবার পরিচিত সময়রেখার কিছু অংশ পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনও তৈরি করতে পারে।

ড্রিমোলেনের জীবাশ্মের ক্ষেত্রেও গবেষকদের সামনে সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে। নমুনাগুলির বয়স এবং পরিচয় সম্পর্কে আরও বিশ্লেষণ ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে হোমো ইরেক্টাসের উপস্থিতি সম্পর্কে জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে পারে।

লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা একটি খুলির সামান্য অংশ কীভাবে মানব বিবর্তনের গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, ড্রিমোলেনের আবিষ্কার তারই উদাহরণ। জীবাশ্ম দেখতে ছোট হলেও তার বয়স, গঠন এবং আবিষ্কারের স্থান অতীতের বহু অজানা তথ্য সামনে আনতে পারে।

বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন জীবাশ্মের মধ্যে তুলনা করে প্রাচীন মানবপ্রজাতির শারীরিক বৈশিষ্ট্য, বিস্তার এবং পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনের ধারাবাহিকতা খুঁজে বের করেন। একটি নতুন নমুনা সেই ধারাবাহিকতায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি করতে পারে।

তবে গবেষণার ক্ষেত্রে সতর্কতাও সমান জরুরি। জীবাশ্মের পরিচয়, বয়স এবং তা থেকে পাওয়া সিদ্ধান্তকে অন্য প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করতে হয়। ড্রিমোলেনের এই আবিষ্কার তাই মানবজাতির উৎপত্তি সম্পর্কে চূড়ান্ত উত্তর নয়; বরং বহু পুরনো ইতিহাসকে আরও গভীরভাবে বোঝার নতুন সুযোগ।

মানুষের বিবর্তনের কাহিনি এখনও সম্পূর্ণ নয়। দক্ষিণ আফ্রিকার এই গুহাঞ্চল থেকে পাওয়া জীবাশ্মের নতুন বিশ্লেষণ সেই অসমাপ্ত কাহিনিতে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র যোগ করেছে। ভবিষ্যতের গবেষণায় হয়তো জানা যাবে, প্রায় ২০ লক্ষ বছর আগে এই অঞ্চলে বসবাসকারী প্রাচীন মানবগোষ্ঠীগুলির জীবন কেমন ছিল এবং তারা মানব বিবর্তনের বৃহত্তর ইতিহাসে কী ভূমিকা পালন করেছিল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ