স্টাফ রিপোর্টার,এনবি সংবাদ : বাংলাদেশে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষা অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাস করেছেন মাত্র ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। গত ২২ বছরের মধ্যে এই পাসের হার সর্বনিম্ন বলে ফলাফল বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অন্যদিকে অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন।
ফলাফলে শুধু পাসের হার নয়, কমেছে সর্বোচ্চ জিপিএ অর্জনকারীর সংখ্যাও। ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। প্রশ্নপত্র তৈরি, খাতা মূল্যায়ন, শিক্ষকদের ঘাটতি এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি—সবকিছু নিয়েই এখন আলোচনা চলছে।
এইচএসসির ফল বিপর্যয়: সরকারের বক্তব্য কী?
ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে শনিবার সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন স্বীকার করেন, এবারের ফল সন্তোষজনক হয়নি। তবে তাঁর বক্তব্য, খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রীর মতে, পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার পেছনে একটি নির্দিষ্ট কারণ দায়ী নয়। বরং দীর্ঘদিনের শিখন পদ্ধতি, পাঠ্যবই এবং সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা নতুন করে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনও ফলাফলের ব্যাখ্যায় আগের সময়ের মূল্যায়ন পদ্ধতির প্রসঙ্গ তুলেছেন। তাঁর দাবি, অতীতে কৃত্রিমভাবে পাসের হার ও জিপিএ-৫ বাড়ানোর একটি প্রবণতা ছিল। বর্তমান সরকার সেই চর্চা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন করেছে।
তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন।
খাতা মূল্যায়নে অতিরিক্ত নম্বর না দেওয়ার প্রভাব?
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, আগে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্ট রাখতে খাতা মূল্যায়নে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার প্রবণতা ছিল। এবার পরীক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শিক্ষার্থীরা যত নম্বর পাওয়ার যোগ্য, ঠিক ততটাই দিতে হবে।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পরীক্ষকদের নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তনকেই ফল বিপর্যয়ের একমাত্র কারণ হিসেবে দেখছেন না তিনি।
সৈয়দ আখতারুজ্জামানের মতে, সারা বছর শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের কম উপস্থিতি এবং শিখন পদ্ধতির দুর্বলতাও ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে রাজধানীর বাইরে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম থাকে। শুধু ফরম পূরণ করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের পাসের সম্ভাবনাও তুলনামূলক কমে যায়।
১০০ জনের বেশি পরীক্ষককে চিহ্নিত করেছে শিক্ষা বোর্ড
এবারের ফলাফল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও কিছু অস্বাভাবিকতা পেয়েছে শিক্ষা বোর্ড। অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, পরীক্ষকদের দেওয়া নম্বরপত্র পর্যালোচনা করে কিছু অসংগতি নজরে এসেছে।
ইতোমধ্যে ১০০ জনের বেশি পরীক্ষককে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁদের দেওয়া নম্বরের পার্থক্য এবং মূল্যায়নের ধরন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের পরিচয় কিংবা তাঁদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।
এই বিষয়টি সামনে আসায় খাতা মূল্যায়নের মান, পরীক্ষকদের দক্ষতা এবং বোর্ডের তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ইংরেজি ও আইসিটিতে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ফেল
এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় বিষয়ভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি করেছে ইংরেজি ও আইসিটি। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ইংরেজিতে অকৃতকার্য হয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন। আইসিটিতে ফেল করেছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন।
ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বল ফলের পেছনে ভালো শিক্ষকের অভাবকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন শিক্ষাবিদরা। অনেক প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক সংকট থাকায় অন্য বিষয়ের শিক্ষক দিয়ে ইংরেজি পড়ানোর ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ঘাটতি থেকে যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমানও ইংরেজি ও আইসিটিতে শিক্ষকের অভাবকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, দক্ষ শিক্ষক না থাকলে শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।
আইসিটিতে ফেল বেশি হওয়ার পেছনে ল্যাব ও প্রযুক্তির অভাব
আইসিটি বিষয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার আরেকটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ব্যবহারিক শিক্ষার ঘাটতি। অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামানের মতে, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত আইসিটি শিক্ষক নেই। অনেক জায়গায় অন্য বিষয়ের শিক্ষকরা আইসিটি পড়ান। ফলে শিক্ষার্থীরা বিষয়টির পাঠ্যক্রম যথাযথভাবে বুঝে উঠতে পারেন না।
অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমানের মতে, এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রযুক্তিগত সুযোগের বৈষম্যও গুরুত্বপূর্ণ। রাজধানীর বাইরে অনেক প্রতিষ্ঠানে আইসিটি ল্যাব নেই। আবার গ্রামের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারের অনেক শিক্ষার্থীর বাড়িতে কম্পিউটার বা প্রয়োজনীয় ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগও সীমিত।
ফলে একদিকে যেমন ব্যবহারিক শিক্ষা থেকে অনেক শিক্ষার্থী বঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগেও তৈরি হচ্ছে বৈষম্য। এর প্রভাব পরীক্ষার ফলাফলেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।
ডিসেম্বরেই দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা
এবারের ফলাফলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন একটি সুযোগের কথা জানিয়েছে সরকার। আগে বোর্ড পরীক্ষায় ফেল করলে সাধারণত পরবর্তী বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হতো। এবার সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এই পরীক্ষা আয়োজন এবং ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কমবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, দুইটির বেশি বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরবর্তী বছরের পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করে ডিসেম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।
এক বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া এবং দুই বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার নিবন্ধন ফি আলাদা হতে পারে। তবে ফি কত হবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কথা রয়েছে।
এ ছাড়া অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ফল পুনর্মূল্যায়নের জন্যও আবেদন করতে পারবেন।
কোন শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কত?
১১টি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে দেখা গেছে, পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। অন্যদিকে সবচেয়ে পিছিয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড।
| শিক্ষা বোর্ড | পাসের হার |
| ঢাকা | ৬১.৮০% |
| মাদ্রাসা | ৬১.০৭% |
| চট্টগ্রাম | ৫২.০৭% |
| ময়মনসিংহ | ৫১.৪৪% |
| সিলেট | ৫০.৯০% |
| কারিগরি | ৪৯.৪৩% |
| কুমিল্লা | ৪৮.০৪% |
| দিনাজপুর | ৪৫.৯৮% |
| রাজশাহী | ৪৫.০৬% |
| যশোর | ৪৪.৯২% |
| বরিশাল | ৪৪.৮৪% |
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭১৪ জন শিক্ষার্থী। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। সেখানে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন।
অন্যদিকে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার মাত্র ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন। যশোর বোর্ডেও পাসের হার ৪৫ শতাংশের নিচে।
২৯৩টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি
শুধু বোর্ডভিত্তিক ফলাফলেই নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলেও বড় ধরনের বৈষম্য দেখা গেছে। এবার দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি।
অন্যদিকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ১৩৯টি। এই পরিসংখ্যান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষার মান, শিক্ষকসংকট এবং পাঠদানের পরিবেশের পার্থক্যকে সামনে এনেছে।
বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলোর শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষক নিয়োগ, নিয়মিত পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে আলাদা করে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার
সাম্প্রতিক বছরগুলোর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০২৬ সালের পাসের হার গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এরপর বিভিন্ন বছরে ফলাফলে ওঠানামা হলেও এবারের মতো এত কম পাসের হার দেখা যায়নি।
২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে নিয়মিত লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ওই বছর বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পাসের হার ছিল শতভাগ। ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়ায় ৯৫ দশমিক ৩ শতাংশ। পরবর্তী বছরগুলোতে তা কমতে থাকে।
২০২২ সালে পাসের হার ছিল ৮৫ দশমিক ৯ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৫ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা আরও কমে ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশে নেমে আসে। এবার সেই হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে।
ফল বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নেওয়ার সময়
এবারের এইচএসসি ফলাফল বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার কয়েকটি দীর্ঘদিনের সমস্যাকে সামনে নিয়ে এসেছে। শিক্ষকদের ঘাটতি, শ্রেণিকক্ষে অনিয়মিত উপস্থিতি, ব্যবহারিক শিক্ষার সীমাবদ্ধতা, প্রযুক্তিগত বৈষম্য এবং মূল্যায়ন পদ্ধতির দুর্বলতা—সবকিছুই আলোচনায় এসেছে।
সরকারের পক্ষ থেকে স্বচ্ছ মূল্যায়ন এবং প্রকৃত মেধার প্রতিফলনের কথা বলা হলেও শিক্ষাবিদদের মতে, শুধু খাতা মূল্যায়নের কঠোরতা বাড়িয়ে শিক্ষার মান উন্নত করা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীরা সারা বছর কীভাবে শিখছে, শিক্ষকরা কতটা প্রস্তুত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা আছে কি না—এসব বিষয়ও সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।
প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা শুধু একটি পরীক্ষার ফল নয়; এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। দ্রুত পুনঃপরীক্ষার সুযোগ সাময়িকভাবে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে পারে। তবে ভবিষ্যতে এমন ফল বিপর্যয় এড়াতে শিক্ষার মৌলিক দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।



