সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট

Homeবিনোদননানা পটেকরের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড, চিকিৎসা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড়

নানা পটেকরের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড, চিকিৎসা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড়

নানা পটেকরের মৃত্যুর পর একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত আইনি মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই মামলার মাধ্যমে অভিনেতার শেষ মুহূর্তের চিকিৎসা, তাঁর শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

এনবি সংবাদ, বিনোদন ডেস্ক : প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পটেকর। বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অভিনেতার মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত আইনি মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং শেষ মুহূর্তের পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট করতে ময়নাতদন্ত করা হবে বলেও খবর।

নানা পটেকরের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলিউডে। অভিনেতার দীর্ঘদিনের সহকর্মী, বন্ধু এবং অনুরাগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করছেন। অক্ষয় কুমার, কঙ্গনা রনৌত, রীতেশ দেশমুখ, রবি কিষণ, প্রকাশ রাজ-সহ একাধিক তারকা নানার প্রয়াণে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। শোকবার্তা দিয়েছেন রাম গোপাল বর্মা, সুনীল শেট্টি, রবীনা টন্ডন ও উর্মিলা মাতণ্ডকরও। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ন্তও অভিনেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ার বাড়িতে বুকে ব্যথা অনুভব করেন নানা পটেকর। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে পড়ে যান। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

অভিনেতার পুত্র মলহার পটেকর জানিয়েছেন, বুকে ব্যথা অনুভব করার পরেই চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। খবর পেয়ে একটি চিকিৎসক দল দ্রুত অভিনেতার বাড়িতে পৌঁছয়।

কিন্তু চিকিৎসকেরা সেখানে গিয়ে দেখেন, নানা তখন অচৈতন্য অবস্থায় রয়েছেন। তাঁকে বাঁচানোর জন্য ঘটনাস্থলেই সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা শুরু হয়।

সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা গিয়েছে, নানাকে বাঁচানোর জন্য প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকেরা তাঁর শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন।

তবে দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টা চালানোর পরও তিনি সাড়া দেননি। এরপর তাঁকে দ্রুত গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

হাসপাতালে পৌঁছনোর পরও চিকিৎসকেরা তাঁকে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টা সফল হয়নি।

পরিবারের সদস্য ও চিকিৎসকদের প্রচেষ্টার পরও অভিনেতার সংজ্ঞা ফেরেনি। ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে প্রায় ৫টা ২০ মিনিটের সময় চিকিৎসকেরা নানা পটেকরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। সেই কারণেই ময়নাতদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

নানা পটেকরের মৃত্যুর পর একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত আইনি মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই মামলার মাধ্যমে অভিনেতার শেষ মুহূর্তের চিকিৎসা, তাঁর শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

তবে মামলা দায়ের হওয়া মানেই চিকিৎসায় কোনও গাফিলতি প্রমাণিত হয়েছে—এমনটা বলা যায় না। তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসার পরই মৃত্যুর কারণ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে অভিনেতার মৃত্যুর শারীরিক কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসতে পারে। একইসঙ্গে চিকিৎসকদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য এবং পরিবারের বক্তব্যও তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

নানা পটেকরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে ভারতীয় চলচ্চিত্রজগতে। অভিনয়জীবনে নানা পটেকর যে স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন, তাঁর প্রয়াণে সেই অবদানের কথাই স্মরণ করছেন সহকর্মীরা।

অক্ষয় কুমার, কঙ্গনা রনৌত, রীতেশ দেশমুখ, রবি কিষণ এবং প্রকাশ রাজের মতো অভিনেতারা নানার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা অভিনেতার অভিনয়জীবন এবং ভারতীয় সিনেমায় তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক জানিয়েছেন পরিচালক রাম গোপাল বর্মা, অভিনেতা সুনীল শেট্টি, রবীনা টন্ডন এবং উর্মিলা মাতণ্ডকরও। তাঁদের বার্তায় উঠে এসেছে নানার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা, তাঁর ব্যক্তিত্ব এবং অভিনয় প্রতিভার স্মৃতি।

গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্তও অভিনেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

নানার ছেলে মলহার পটেকরের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিনেতা বুকে ব্যথা অনুভব করার পর পরিবারের সদস্যরা দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। চিকিৎসকদের দলও দ্রুত তাঁর বাড়িতে পৌঁছেছিল।

চিকিৎসকেরা পৌঁছনোর পর অভিনেতাকে অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পান। এরপর সিপিআর দেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়।

প্রায় ৪৫ মিনিটের চিকিৎসা প্রচেষ্টার পরও সাড়া না মেলায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু হাসপাতালেও চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি।

নানা পটেকরের মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখন ময়নাতদন্তের রিপোর্টের দিকেই নজর রয়েছে। বুকে ব্যথা অনুভব করার পর হঠাৎ সংজ্ঞা হারানো এবং এরপর মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

তবে ময়নাতদন্ত ও তদন্তের ফলাফল প্রকাশের আগে মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না। চিকিৎসা সংক্রান্ত মামলার তদন্তেও সংশ্লিষ্ট নথি, চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য এবং শেষ মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহ খতিয়ে দেখা হতে পারে।

নানা পটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় সিনেমা হারাল এক দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অভিনেতাকে। তাঁর অভিনয়জীবনের নানা চরিত্র দর্শকের মনে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা করে নিয়েছে। এখন তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সামনে আসার অপেক্ষা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ